মায়ের কোন পুত্র সন্তান নাই।
---------------------------------------
শ্রীশ্রীঠাকুর একদিন মা'কে বললেন------ "মা, ছেলে নাই দেইখা দুঃখ করবেন না। এই সকল সন্তান থাইক্যা দুঃখই আসে। আপনার ছেলের কাজ আমি করুম।"
তাঁর বাণী তো মিথ্যা হ'তে পারে না। ঠাকুর যে অগ্রদ্বীপের গোপীনাথ হয়ে আমার মা বাবার সকল পুত্রকৃত্য করছেন, এই অটল বিশ্বাস তাঁদের আজীবন শক্তিদান করেছে।
মা জিজ্ঞাসা করছেন শ্রীশ্রীঠাকুরকে "মরবার সময় আপনি থাকবেন তো"? ঠাকুর অচঞ্চল হয়ে উত্তর দিচ্ছেন ---------- "আমি না আইলে আত্মা নিব কে ? আর কারো নেওনের অধিকার নাই।" তাঁর বরাভয়ে মৃত্যু ভয় পরাজিত ------ ভয় কি আমাদের ? সংসারের বন্ধন ছিন্ন ক'রে যখন যাত্রা শুরু হবে ঠাকুরই এসে হাত বাড়িয়ে দেবেন করুণার শীতল স্পর্শে -------- ধন্য হয়ে যাবে আশ্রিত জন।
একদিন আসামে গুরুভগ্নি সুরেশ বাবুর মা রোগশয্যায় আছেন। আমাদের গুরু ভাই রমণীমোহন ধর রাত্রে পথ দিয়ে আসছেন। জ্যোৎস্নায় পথ ঘাট স্পষ্ট --------- কিন্তু একি! রেল লাইন ধরে ঠাকুর চলছেন দ্রুত পায়ে কিন্তু যেন তাঁর চরণ মাঠি স্পর্শ করছে না।
আর সুরেশ বাবুর মা ঠাকুরের পিছন পিছন চলছেন। রমণী দা আমাদের বাড়ি এসে তখনই বললেন, একি আশ্চর্য ব্যাপার দেখলাম। ঠাকুর রাত্রে সুরেশ বাবুর মাকে নিয়ে কোথায় যাচ্ছেন?' সেই দিনই সেই সময় সুরেশ বাবুর মা দেহত্যাগ করেছেন, পরে খবর পাওয়া গেলো।
বিশ্বাস-অবিশ্বাসের প্রশ্ন নয় -------- এ ঘটনা কেউ বিশ্বাস করুক বা নাই করুক, আমি ভরসায় বুক বেঁধে আছি ------ শেষের দিনে ঠাকুর তুমি আমার থাকবেই। এই আমার শেষ কথা।
।।জয় রাম জয় গুরু জয় গোবিন্দ।।
সংগৃহীত ঃ-- শ্রীশ্রী রাম ঠাকুর আবির্ভাব শতবার্ষিকী স্মারক গ্রন্থ হইতে 

১) ভগবত শক্তিদ্বারা ভগবৎসেবার শক্তি পাওয়া যায় । সত্যধর্ম্ন পরিচর্য্যাই পরমানন্দ উৎপন্ন করিয়া থাকে।
২)সত্যকে সেবা করিতে করিতে সতী হয়। পতিব্রতা হইলে কালের হাত হইতে সত্যকে উদ্ধার করা যায়।
বেদবাণী
------------
No comments:
Post a Comment